ঢাকাFriday , 22 May 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইসলাম ও জীবন
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. পরবাস
  8. বিনোদন
  9. রাজধানী
  10. রাজনীতি
  11. লাইফ স্টাইল
  12. শিক্ষাঙ্গন
  13. সর্বশেষ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ধামরাইয়ে ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের তেতুলিয়া মাদ্রাসা থেকে শিমুলিয়া রাস্তার আংশিক কাজের উদ্বোধন।

প্রতিবেদক
desheradmin
May 22, 2026 8:30 am
Link Copied!

 

ধামরাই সংবাদ দাতা,, ঢাকার ধামরাইয়ে ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের তেতুলিয়া মাদ্রাসা ও কবরস্থান থেকে শিমুলিয়া রাস্তার সাত্তার মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার মাটি ভরাট এর কাজ শুরু হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের ফসল বাড়িতে আনতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো এলাকাবাসীর। বিশাল চক হওয়ায় কৃষি জমির ধান মাথায় করে আনতে কৃষকদের খরচ দ্বিগুণ হতো, তারই ধারাবাহিকতায়। ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব হোসেন এর প্রচেষ্টায় ঢাকা জেলা পরিষদের বরাদ্দ থেকে এই রাস্তার কাজের উন্নয়ন করা হচ্ছে।

“যুবদল নেতা রাকিব হোসেন জানান আমার গ্রামের পাশে এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে ঝরাজিন্ন একটু বৃষ্টি হলেই এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে মানুষের অনেক সমস্যা হয়।শুধু তাই নয় এই রাস্তার ধারে অনেক কৃষি জমি। চকটি বিশাল বড় হওয়ায় কৃষকদের ফসল বাড়িতে আনতে অনেক কষ্ট হয় একটি গাড়ি চলার মত কোন উপযোগী ছিল না সেই প্রেক্ষিতে আমি আমার নেতা বর্তমান ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ভাইকে বিষয়টি জানালে তিনি এই রাস্তার মাটি ভরাটের জন্য একটি বরাদ্দ দেন। সেই বরাদ্দের প্রেক্ষিতে আজ থেকে এই রাস্তার মাটি ফেলা শুরু হয়েছে এভাবেই বিএনপি সরকার ধামরাই উপজেলার আনাচে কানাচে রাস্তাঘাটে উন্নয়ন করবে এমনটাই আশা সাধারণ জনগণের। আমি আগামী ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আমি আমার ইউনিয়নের উন্নয়নে এভাবেই কাজ করতে চাই বলে তিনি সবার দোয়া প্রার্থনা করেন।

এ সময় বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের, ধামরাই থানা জিয়া পরিষদের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন ।

স্থানীয় কৃষক হাফিজুর রহমান সহ কয়েকজন বলেন দীর্ঘ প্রায় ৪৭ বছর ধরে এই রাস্তার অভাবে ধান ও অন্যান্য ফসল বাড়িতে আনতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। বাধ্য হয়ে কম দামে ফসল বিক্রি করতে হতো। বিগত সরকারের আমলে আমরা অনেক বার রাস্তার আবেদন করেছি কোনো সুফল হয়নি। এখন রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় সহজেই ফসল পরিবহন করা যাবে এবং আমরা কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবো। এখন আর লেবার খরচ বেশি লাগবে না, তারা সরকারের এই গ্রামীন রাস্তার উন্নয়নকে সাধুবাদ জানান।